লোড হচ্ছে...
অর্থ-বাণিজ্য 08 October, 2026 2 weeks আগে

গ্রাহকদের চাহিদামতো টাকা দিতে ন্যাশনাল ব্যাংককে নির্দেশ

শেয়ার করুন: ফেসবুক টুইটার WhatsApp 7 পাঠক

আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে গ্রাহকেরা যাতে চাহিদা অনুযায়ী নিজেদের আমানত তুলতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে ন্যাশনাল ব্যাংককে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকটির তারল্য পরিস্থিতির আগের তুলনায় উন্নতি হওয়ায় এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান এ নির্দেশনা দিয়েছেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সকালে ঋণ অনিয়মে সংকটে থাকা ন্যাশনাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান মেলিতা মেহজাবীন ও ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) জাহিদুল হক বাংলাদেশ ব্যাংকে গভর্নরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

এ সময় ডেপুটি গভর্নর কবীর আহম্মাদ এবং মো. সরোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন। এ সময় আমানতকারীরা যাতে চাহিদা অনুযায়ী অর্থ উত্তোলন করতে পারেন, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন গভর্নর। এছাড়া ১৫ অক্টোবর থেকে ন্যাশনাল ব্যাংকের সব শাখা ও এটিএম বুথে প্রয়োজনীয় নগদ অর্থ সরবরাহ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ন্যাশনাল ব্যাংকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আগের তুলনায় বর্তমানে ব্যাংকটির তারল্যে কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে সব গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী অর্থ পরিশোধ করার মতো পর্যাপ্ত সক্ষমতা এখনো তৈরি হয়নি। এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে লিকিউডিটি সাপোর্ট দেওয়ার বিষয়ে আশ্বস্ত করা হয়েছে বলেও জানা গেছে।

এর আগে, ঋণ অনিয়ম, বিপুল খেলাপি ঋণ ও তারল্য সংকটের কারণে কয়েক বছর ধরে আর্থিক চাপে রয়েছে ন্যাশনাল ব্যাংক। সংকটের কারণে ব্যাংকটি দীর্ঘদিন ধরে গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী অর্থ পরিশোধ করতে পারছিল না। এতে ব্যাংকটির ওপর আমানতকারীদের আস্থা কমে যায় এবং নতুন আমানত সংগ্রহও বাধাগ্রস্ত হয়। ফলে তারল্য সংকট আরও ঘনীভূত হয়। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের তারল্য সহায়তার ওপর নির্ভর করে ব্যাংকটির কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংকটির তারল্য পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

ন্যাশনাল ব্যাংকের সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে ব্যাংকটির লোকসান হয়েছে ২ হাজার ২৮৬ কোটি টাকা। এ সময়ে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৭ টাকা ১০ পয়সা। এর আগের বছরের একই সময়ে ব্যাংকটির লোকসান ছিল ৯৮৫ কোটি টাকা এবং শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৩ টাকা ৬ পয়সা।

অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে ব্যাংকটির লোকসান বেড়েছে ১ হাজার ৩০১ কোটি টাকা। আর শেয়ারপ্রতি লোকসান বেড়েছে ৪ টাকা ৪ পয়সা।

ট্যাগ:
thefourthbd

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মাল্টিমিডিয়া
দেখুন
বাংলাদেশের প্রাকৃতিক
বাংলাদেশের প্রাকৃতিক
ভিডিও ১০ মি.