লোড হচ্ছে...
সিলেট 24 October, 2026 8 hours আগে

বিয়ের ২৩ দিনের মাথায় বিএনপি নেতার স্ত্রী উধাও, কথিত মামাসহ গ্রেপ্তার ২

শেয়ার করুন: ফেসবুক টুইটার WhatsApp 3 পাঠক

জামালপুরের মেলান্দহে বিয়ের ২৩ দিনের মাথায় বিএনপি নেতা সুজন মিয়ার স্ত্রী সুমি আক্তারকে নিয়ে উধাও হওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার কথিত মামা এমদাদুল হক অরচনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রতারণা ও স্বর্ণালংকার আত্মসাতের মামলায় অরচন ও সুমিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে তাদের আদালতে পাঠানো হয়। এর আগে শুক্রবার (২২ অক্টোবর) ভোররাতে জামালপুর পৌর এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে অরচনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সুমিকেও গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গ্রেপ্তার এমদাদুল হক অরচন (৪৫) মেলান্দহ উপজেলার শাহজাদপুর এলাকার মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে। সুমি আক্তার (২৭) একই উপজেলার কামদেববাড়ী এলাকার শাহিন মন্ডলের মেয়ে। সুজন মিয়া ঝাউগড়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তিনি দক্ষিণ ঝাউগড়া এলাকার মৃত ময়ুর আলীর ছেলে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১ অক্টোবর সুমি আক্তারের সঙ্গে রেজিস্ট্রি কাবিননামার মাধ্যমে বিয়ে হয় সুজনের। বিয়ের সময় স্ত্রীকে দুটি স্বর্ণের আংটি, একটি চেইন, এক জোড়া বালা ও এক জোড়া কানের দুলসহ বিভিন্ন স্বর্ণালংকার দেন তিনি। এসব অলংকারের আনুমানিক মূল্য ৬ লাখ ৯৬ হাজার ৫০০ টাকা বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

সুজনের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই সুমির কথিত মামা অরচন তাকে বিভিন্নভাবে প্ররোচিত করে আসছিলেন। গত ২০ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টার দিকে সুজন বাড়িতে না থাকার সুযোগে অরচন সেখানে গিয়ে সুমিকে তার বাবার বাড়িতে যাওয়ার কথা বলেন। এ সময় সুজনের মা ছেলের বাড়ি ফেরার পর সুমিকে যেতে বললেও তিনি অরচনের সঙ্গে চলে যান বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

সুজন জানান, ওই রাতে স্ত্রীর মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে সেটি বন্ধ পান তিনি। পরদিন ছোট ভাইয়ের স্ত্রী ও ভাতিজাকে শ্বশুরবাড়িতে পাঠালেও সেখানে সুমিকে পাওয়া যায়নি। পরে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে অরচনের সঙ্গে সুমির চলে যাওয়ার বিষয়টি জানতে পারেন বলে দাবি করেন তিনি।

এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর পুলিশ অরচনকে গ্রেপ্তার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সুমিকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে সুজন বলেন, ‘বিয়ের মাত্র ২২ দিনের মাথায় সে আমার সঙ্গে এমনটা করবে, তা কল্পনাও করিনি। কত আশা নিয়ে তাকে ঘরে এনেছিলাম। অথচ এত অল্প সময়ের মধ্যেই এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে, কখনো ভাবিনি। বিয়ের সময় তাকে স্বর্ণালংকারও দিয়েছিলাম। এখন সবকিছু মিলিয়ে আমি ভেঙে পড়েছি।’

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম মাহমুদুল হক বলেন, এ ঘটনায় করা মামলায় এমদাদুল হক অরচন ও সুমি আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ট্যাগ:
thefourthbd

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মাল্টিমিডিয়া
দেখুন
বাংলাদেশের প্রাকৃতিক
বাংলাদেশের প্রাকৃতিক
ভিডিও ১০ মি.