আগামী ২৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘন এবং প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নিশ্চিতকরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ঠাকুরগাঁও-১ নির্বাচনি এলাকার নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন, ভোটারদের ভীতি প্রদর্শন এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে, যা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
রোববার (২৫ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশনে এই চিঠি দেয়া হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা অভিযোগসমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ও মৌলিক বিষয়গুলো নিচে তুলে ধরা হলো-
- ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে মোড়ে মোড়ে রঙিন প্রতীক ব্যবহার করে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করা হচ্ছে। এ বিষয়ে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না।
- হিন্দু ও সরকারি চাকরিজীবী ভোটারদের বিভিন্ন হুমকি নিয়ে ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করা হচ্ছে।
- নির্বাচনি বিধিমালায় দুপুর ২টার পূর্বে মাইক ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও দুপুর ২টার পূর্বে মাইক ব্যবহার করে নির্বাচনি প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
- নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ভোটারদের সুবিধা প্রদান নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও, ইউনিয়নে ইউনিয়নে মেডিকেল ক্যাম্পের মাধ্যমে সরকারি চিকিৎসকদের ব্যবহার করে ভোটারদের চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হচ্ছে।
- ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নির্বাচনি প্রচারণা নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও মসজিদে সোফা সেট স্থাপন করে ধানের শীষের পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণা চালানো হচ্ছে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নির্বাচনি প্রচারণা নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও মসজিদে সোফা সেট স্থাপন করে ধানের শীষের পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণা চালানো হচ্ছে। যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচার হয়েছে।
৬. ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খায়রুল ইসলামের বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে ধানের শীষের কাজ করা এবং ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে প্রকাশ্যে ধানের শীষের পক্ষে অবস্থান নেয়ার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বারবার অভিযোগ জানানো সত্ত্বেও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। যা প্রশাসনের নিরপেক্ষতা ও নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে গুরুতর প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
Leave a Reply