লোড হচ্ছে...
জাতীয় 01 November, 2026 1 day আগে

ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে: আনসার মহাপরিচালক

শেয়ার করুন: ফেসবুক টুইটার WhatsApp 5 পাঠক

ব্যক্তিগত প্রত্যাশা ও স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ।

নবীন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ব্যক্তিগত সাফল্যের পাশাপাশি সাংগঠনিক উৎকর্ষ অর্জন এবং জাতীয় স্বার্থে অবদান রাখার মানসিকতা নিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

রোববার (১ নভেম্বর) ৪৫তম বিসিএস (আনসার) ক্যাডারের ১৯ জন নবীন কর্মকর্তা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান শেষে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদর দপ্তরে উপস্থিত হন।

এ সময় সদর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে তাঁদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করে নেন মহাপরিচালক।

পরে অনুষ্ঠিত স্বাগত ও পরিচিতিমূলক সভায় নবীন কর্মকর্তাদের পেশাগত দায়িত্ব, নেতৃত্ব, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং বাহিনীর ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রা নিয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন তিনি।

আনসার মহাপরিচালক বলেন, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী দেশের বৃহত্তম জনসম্পৃক্ত শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বাহিনী। প্রায় ৬০ লাখ সদস্যের এই বিশাল বাহিনী ব্যাটালিয়ন আনসার, অঙ্গীভূত আনসার, সাধারণ আনসার এবং ভিডিপি-টিডিপি সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত। বাহিনীর প্রতিটি স্তরের সদস্যের দায়িত্ব ও ভূমিকা আলাদা হলেও জাতীয় নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং জনকল্যাণে সবার সম্মিলিত অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, বাহিনীর বিশাল সাংগঠনিক শক্তিকে সমন্বিতভাবে কাজে লাগিয়ে সক্ষমতা ও কার্যকারিতা আরও বাড়াতে হবে। ব্যক্তিগত প্রত্যাশা ও উপলব্ধিকে বাহিনীর প্রাতিষ্ঠানিক লক্ষ্য, আদর্শ ও দায়িত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

মহাপরিচালক আরও বলেন, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর কার্যক্রম শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও নিরাপত্তার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সামাজিক নিরাপত্তা, জনকল্যাণ, দুর্যোগ মোকাবিলা, মানবিক সহায়তা, স্থানীয় পর্যায়ে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং আর্থসামাজিক উন্নয়নেও বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

নবীন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বাহিনীর প্রতিটি সদস্যের সক্ষমতা, অভিজ্ঞতা ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে একটি সুসংগঠিত, দক্ষ ও জনবান্ধব বাহিনী গড়ে তুলতে হবে। এ জন্য মাঠপর্যায়ের সদস্যদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ, তাঁদের প্রত্যাশা ও বাস্তব অভিজ্ঞতা অনুধাবন এবং সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি। একই সঙ্গে দায়িত্ব পালনে সততা, নিষ্ঠা, শৃঙ্খলা, মানবিক মূল্যবোধ ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বের পরিচয় দিতে হবে।

মতবিনিময় সভায় নবযোগদানকৃত কর্মকর্তাদের বাহিনীর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ধারণ করে নিজেদের জ্ঞান, মেধা ও কর্মদক্ষতা কাজে লাগানোর আহ্বান জানানো হয়। তাঁদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাহিনীর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা, জনসম্পৃক্ততা এবং জাতীয় উন্নয়ন ও নিরাপত্তায় অবদান আরও বিস্তৃত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

অনুষ্ঠানে বাহিনীর অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মামুনূর রশীদসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ:
thefourthbd

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মাল্টিমিডিয়া
দেখুন
বাংলাদেশের প্রাকৃতিক
বাংলাদেশের প্রাকৃতিক
ভিডিও ১০ মি.