লোড হচ্ছে...
জাতীয় 05 November, 2026 2 hours আগে

ডিসেম্বরে নতুন পে স্কেলে বেতন পেতে পারেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা

শেয়ার করুন: ফেসবুক টুইটার WhatsApp 3 পাঠক

বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন-ভাতা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এ জন্য প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি পাঠিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ। বরাদ্দের বিষয়ে অর্থ বিভাগের মৌখিক সম্মতি পাওয়া গেছে বলেও জানা গেছে। সব প্রক্রিয়া নির্ধারিত সময়ে সম্পন্ন হলে আগামী ডিসেম্বর থেকেই নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন পেতে পারেন শিক্ষক-কর্মচারীরা।

তবে কোনো কারণে ডিসেম্বরে তা কার্যকর করা সম্ভব না হলে আগামী জানুয়ারি থেকে নতুন স্কেলে বেতন দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব আবদুল খালেক চীনে থাকাকালীন অর্থ বিভাগের সচিব খায়েরুজ্জামান মজুমদারের সঙ্গে দফায় দফায় কথা বলেছেন।

সিনিয়র সচিব আবদুল খালেকের চেষ্টায় ডিসেম্বর থেকেই নতুন পে-স্কেল বেতন পেতে পারেন শিক্ষক-কর্মচারীরা।

সূত্রের তথ্য বলছে, স্কুল-কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেলে বেতন দিতে অতিরিক্ত যে অর্থ প্রয়োজন সেটি ছাড় করতে মৌখিক সম্মতি দিয়েছে অর্থ সচিব। এখন আনুষ্ঠানিকতা শেষে সম্মতি সংক্রান্ত চিঠি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে পাঠানো হবে। চলতি মাসের মধ্যেই এ পত্র দেওয়ার কথা রয়েছে। ফলে ডিসেম্বরেই মিলতে পারে নতুন পে-স্কেলের বেতন।

নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘ডিসেম্বরেই যেন শিক্ষক-কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেলে বেতন পান, সেজন্য আমরা চেষ্টা করছি। সবকিছু ঠিক থাকলে ডিসেম্বর থেকেই নতুন স্কেলে বেতন পাওয়া যাবে। তবে কোনো কারণে সেটি সম্ভব না হলে জানুয়ারি মাস থেকে শিক্ষকরা নতুন পে-স্কেলে বেতন পাবেন।’

এদিকে স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নবম পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন-ভাতা দিতে অর্থ বিভাগের কাছে ৩ হাজার ২৬৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা চেয়ে চিঠি দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ। চিঠিতে ছয় মাসের বকেয়াসহ ১২ মাসের জন্য এ অর্থ চাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

গত রবিবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে ছয় মাসের বকেয়াসহ ১২ মাসের হিসাব বিবরণী মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে টাকা বরাদ্দ চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি পাঠানো হয়।

মাউশির হিসাব বিবরণী থেকে জানা গেছে, চলতি বছরের জুন থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত ৭ মাসের বকেয়া বেতন-ভাতা এবং আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত বেতন-ভাতার হিসাব দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে স্কুল-কলেজের জন্য বরাদ্দ পাওয়া অর্থ থেকে জুন মাসের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হয়েছে। অবশিষ্ট ঘাটতির জন্য আলাদা করে বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।

মাউশির পাঠানো হিসাব বিবরণী থেকে জানা গেছে, ৬ মাসের বকেয়াসহ আগামী বছরের মে মাস পর্যন্ত বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহের বেতনে ২ হাজার ২৫৫ কোটি ৯৩ লাখ ১২ হাজার ৮১৯ টাকা এবং ভাতায় ২৭৫ কোটি ৬০ লাখ ১২ হাজার ৩৬ টাকাসহ মোট ২ হাজার ৫৩১ কোটি ৫৩ লাখ ২৪ হাজার ৮৫৫ টাকা দরকার হবে।

অন্যদিকে কলেজের ক্ষেত্রে বেতনে ৬৬৫ কোটি ২৩ লাখ ২৭ হাজার ৫১১ টাকা এবং ভাতায় ৭১ কোটি ১২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৯০ টাকাসহ মোট ৭৩৬ কোটি ৩৫ লাখ ৬৬ হাজার ৪০১ টাকা অতিরিক্ত প্রয়োজন হতে পারে।

সে হিসাবে, বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহে অতিরিক্ত ২ হাজার ৫৩১ কোটি ৫৩ লাখ ২৪ হাজার ৮৫৫ টাকা এবং বেসরকারি কলেজসমূহে অতিরিক্ত ৭৩৬ কোটি ৩৫ লাখ ৬৬ হাজার ৪০১ টাকাসহ সর্বমোট ৩ হাজার ২৬৭ কোটি ৮৮ লাখ ৯১ হাজার ২৫৬ টাকা অতিরিক্ত প্রয়োজন হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

ট্যাগ:
thefourthbd

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মাল্টিমিডিয়া
দেখুন
বাংলাদেশের প্রাকৃতিক
বাংলাদেশের প্রাকৃতিক
ভিডিও ১০ মি.