লোড হচ্ছে...
অর্থ-বাণিজ্য 28 October, 2026 4 days আগে

পোশাক রপ্তানি বেড়েছে, পিছিয়ে উচ্চমূল্যের পণ্য

শেয়ার করুন: ফেসবুক টুইটার WhatsApp 7 পাঠক

দেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি বেড়েছে। তবে এই প্রবৃদ্ধির বড় অংশ আসছে এমন সব পোশাক থেকে, যেগুলো দেশের প্রচলিত রপ্তানি পণ্যের তালিকায় আগে থেকে শীর্ষে রয়েছে। বিপরীতে তুলনামূলক উচ্চমূল্যের পোশাকের রপ্তানি বাড়ছে ধীরগতিতে। কিছু পণ্যের রপ্তানি আবার কমেও গেছে। ফলে রপ্তানি আয় বাড়লেও পণ্যের বৈচিত্র্য ও উচ্চমূল্যের পোশাকের অংশ বাড়ানোর ক্ষেত্রে খুব একটা অগ্রগতি নেই।

বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের (বিএভি) প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মহিউদ্দিন রুবেলের সংকলিত রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য বিশ্লেষণে এই চিত্র পাওয়া গেছে।

তথ্যমতে, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) দেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১ হাজার ৫৮ কোটি ডলারের। গত অর্থবছরের একই সময়ে রপ্তানি হয়েছিল ৯৯৭ কোটি ডলার। সেই হিসাবে রপ্তানি বেড়েছে ৬ দশমিক ১০ শতাংশ বা ৬০ কোটি ৮০ লাখ ডলার।

বিএভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার বিশ্লেষণে দেখানো হয়, এই বাড়তি রপ্তানির ৫৭ কোটি ৩০ লাখ ডলার এসেছে মৌলিক পোশাক থেকে। অর্থাৎ মোট রপ্তানি বৃদ্ধির প্রায় ৯৪ শতাংশ এসেছে এই শ্রেণির পণ্য থেকে। এ সময়ে মৌলিক পোশাকের রপ্তানি ৭ দশমিক ৪৫ শতাংশ বেড়ে ৮২৬ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। মোট পোশাক রপ্তানিতে এ ধরনের পণ্যের অংশও বেড়েছে। গত বছরের প্রথম প্রান্তিকে যা ছিল ৭৭ দশমিক ০৮ শতাংশ, এবার তা বেড়ে হয়েছে ৭৮ দশমিক ০৬ শতাংশ।

মৌলিক পোশাকের মধ্যে রপ্তানি বৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে ট্রাউজার বা প্যান্ট, সোয়েটার ও কার্ডিগান এবং টি-শার্ট ও ভেস্ট। এই তিন পণ্য থেকে রপ্তানি বেড়েছে যথাক্রমে ২০ কোটি ১০ লাখ, ১৭ কোটি ৮০ লাখ ও ১০ কোটি ৪০ লাখ ডলার। সব মিলিয়ে মোট রপ্তানি বৃদ্ধির প্রায় ৮০ শতাংশ এসেছে এই তিন পণ্য থেকে। শিশুদের পোশাকের রপ্তানি বৃদ্ধির হার অবশ্য সবচেয়ে বেশি, ১০ দশমিক ১৯ শতাংশ। তবে এই খাতে রপ্তানির পরিমাণ মাত্র ৩০ কোটি ডলার।

অন্যদিকে আধা মৌলিক পোশাকের রপ্তানি বেড়েছে সামান্য। এই শ্রেণিতে শার্ট ও ব্লাউজ অন্তর্ভুক্ত। প্রথম প্রান্তিকে এসব পণ্যের রপ্তানি ১ দশমিক ৭৭ শতাংশ বেড়ে ৮৪ কোটি ২০ লাখ ডলার হয়েছে। মোট রপ্তানিতে তাদের অংশ গত বছরের ৮ দশমিক ৩০ শতাংশ থেকে কমে ৭ দশমিক ৯৬ শতাংশে নেমেছে।

উচ্চমূল্যের পোশাকের চিত্র আরও দুর্বল। উন্নত শ্রেণির পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে মাত্র ১ দশমিক ৪২ শতাংশ। এই খাতে রপ্তানি হয়েছে ১৪৮ কোটি ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় মাত্র ২ কোটি ১০ লাখ ডলার বেশি। আউটারওয়্যারের (কোট, জ্যাকেট, ব্লেজার ও ওভারকোট জাতীয়) রপ্তানি বেড়েছে মাত্র ৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার এবং কারিগরি পোশাকের ১ কোটি ৮০ লাখ ডলার। তবে গাউনজাতীয় পোশাক; যেমন ফ্রক, লম্বা গাউন বা এক টুকরার নারীদের পোশাক রপ্তানি কমেছে ১০ দশমিক ৬৬ শতাংশ, স্পোর্টসওয়্যার ও অ্যাকটিভওয়্যারের ১১ দশমিক ২৪ শতাংশ এবং স্যুট ও এনসেম্বলের ১৪ দশমিক ৪৮ শতাংশ। মোট পোশাক রপ্তানিতে উন্নত শ্রেণির পণ্যের অংশ ১৪ দশমিক ৬৩ শতাংশ থেকে কমে ১৩ দশমিক ৯৮ শতাংশ হয়েছে।

ট্যাগ:
thefourthbd

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মাল্টিমিডিয়া
দেখুন
বাংলাদেশের প্রাকৃতিক
বাংলাদেশের প্রাকৃতিক
ভিডিও ১০ মি.